আমরা আজ যে জায়াগাটিকে “ভরৎসোন”
বা “বরতলা” নামে চিনি সেটার নামকরনের ইতিহাস আমরা জানি কি?
তথ্য ও ছবিঃ তাওহীদুল ইসলাম রুপক
আসলে জায়গাটির নাম করন করা হয়েছে
“ভরৎ সেন” নামে এক হিন্দু জমিদারের নামে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে আমাদের এই অঞ্চেল জমিদার ছিলেন
নড়াইলের “রত্তন বাবু”।ওনার শাসনামল শেষ হলে খুলনা অঞ্চল থেকে “ভরৎ সেন” নামে এক বাবু এখানে এসে বর্তমান “বড়তলা” নামক
জায়গায় বসবাস শুরু করেন। আস্তে আস্তে উনি হয়ে ওঠেন এখানকার প্রভাবশালী জমিদার।ওনার পূর্বপুরুষেরাও খুলনা অঞ্চলের জমিদার ছিল। প্রতিস্টা
করেন ওনার জমিদারী শাসনভার। আমাদের এই বর্তমান সাতলা অঞ্চল ওনার জমিদারি রাজ্যো ছিল।
পঞ্চদশ শতকের শেষভাগ থেকে যখন বাংলায় ইউরোপীয় ব্যবসায়ীদের আগমন ঘটে । ধীরে ধীরে তাদের প্রভাব বাড়তে থাকে। ১৭৫৭ খ্রীস্টাব্দে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পলাশীর যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলার শাসনক্ষমতা দখল করে।
ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে বহুবার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ১৭৭০ খ্রীস্টাব্দের দুর্ভিক্ষে আনুমানিক ৩০ লাখ লোক মারা যায়। ভারতীয় উপমহাদেশের দেশভাগের সময় ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে আবার বাংলা প্রদেশটিকে ভাগ করা হয়। হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয়, আর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অংশ হয়।
১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গের নাম পাল্টে পূর্ব পাকিস্তান করা হয়। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত করে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয় যথা ভারত ও পাকিস্তান। এর পরে উনি ওনার জমিদারী ছেড়ে ভারতে চলে যান।এখনো ভারতে ওনার বংশধরেরা টিকে
আছে। কিন্তু তারা আর কখোনই আর তাদের পূর্বপুরেষের ভিটা মাটিতে ফিরে আসেননি।
“ভরৎ সেন” সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে............








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন