বুধবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৬

মনে পড়ে কি ? এই বদরুল সেই বদরুল !! এবং জাফর ইকবাল স্যারের সাফাই.....।

লিখেছেন ব্লগার  ম্রিয়মাণ পিঙ্গল




২০১২ সালের দশই জুলাই শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এমসিকলেজের শিবির নিয়ন্ত্রীত ছাত্রাবাসের শতাধিক কক্ষ পুড়িয়ে দেয় ছাত্রলীগ তার কিছুদিন পড়ে ক্যাম্পাস সংলগ্ন হাউশা গ্রামের স্থানীয়রা এক বখাটে যুবককে ব্যাপক মারধর করে  


                                     


যখন যুবকটির পরিচয় পাওয়া যায় সে ছাত্রলীগের নেতা, অমনি হলুদ সাংবাদিকরা এটাকে শিবিরের প্রতিশোধ বলে চালিয়ে দেন এমনকি জাফর ইকবাল স্যারও যথারীতি এক চিমটি আবেগ, দুই চামচ মুক্তিযুদ্ধ মিশিয়ে এই বদরুলের প্রতি দরদ দেখিয়ে কলাম লিখেন! "শিবির ছেলেটির রগ কেটে দিয়েছে....আর কোনোদিন স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারবে না.....ব্লা...ব্লা...." 






ছাত্রীর উপর হামলাকারী বদরুল ক্যাম্পাসের একটা পরিচিত ক্যারেক্টার। বদরুলের বন্ধুরা ক্যাম্পাসে/ক্লাসে ওর নামের শেষের "রুল" টা বাদ দিয়ে শুধু "বদ" ডাকতো আসেলই যে কতটা বদ ছিল তা চাপাতী দিয়ে কুপিয়ে দেখিয়ে দিল যাকে ভালবাসে তাকে আঘাত করে কি ভাবে তাও আবার হত্যার উদ্দেশ্যে!! এরা কি রবীন্দ্রনাথ কে পড়ে নি "যাকে ভালবাস তাকে ছেড়ে দাও যদি সে ফিরে আসে তবে সে তোমার, আর যদি না আসে তবে সে কখনোই তোমার ছিল না" তার বিভাগের স্টুডেন্টরা ছাড়াও অন্য অনেক ছেলেমেয়েই তাকে চিনে। চেনার কারণ জানতে চাইলে আমাদের যেতে হবে বেশ কয়েকবছর পেছনে। ২০১১/২০১২ তে। ক্যাম্পাস সংলগ্ন হাউশা গ্রামে বদরুল নার্গিসদের বাড়িতে লজিং থাকতো, নার্গিস তখন ক্লাস নাইনে পড়ে। সেখান থেকেই নার্গিসের সাথে তার পরিচয়, অত:পর "ঝামেলা!" একপর্যায়ে নার্গিসের অভিভাবকরা তাকে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়!


.
এরপর সে বিভিন্ন সময় নার্গিসের আত্মীয় স্বজনদের হুমকি দিতে থাকে। এই নার্গিস সংক্রান্ত ব্যাপারটা বদরুলের প্রায় ক্লাসমেটরাই জানে। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে একবার বদরুল নার্গিসের এলাকায় গেলে তার আত্মীয় স্বজনরা তাকে পেটায়। অনেক মার দেয়। সিলেটের সবচেয়ে প্রচারিত পত্রিকা "দৈনিক সিলেটের ডাক" এই খবরটি আসে, "তথাকথিত প্রেমের জের ধরে হামলার শিকার শাবিছাত্র........এরকম নিউজ হয়"! যদিও জাতীয় পত্রিকাগুলোতে এসেছিলো





"
ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের উপর হামলা করেছে শিবির......" (উল্লেখ্য বদরুল মার খাওয়ার দু তিনদিন আগে ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে শিবির-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ হয়)



এখন এই বদরুলদের কি করা দরকার ?? ছাত্রলীগের এই নেতাকে গতকাল দেখলাম একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেল (নিউজ২৪) কে দেয়া একসাক্ষাৎকারে সেন্ট্রাল সেক্রেটারী জাকির হোসেন বললেন সে যেহেতু চাকরী করে তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সে ছাত্রলীগের কেউ না


                                   কিন্তু সত্যটা কিন্তু আলাদা




              এই ছাত্রলীগকে তো আমরা বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি




                       বরিশাল পলিটেকনিকে প্রকাশ্যে মানুষ কোেপাতে দেখেছি  

এরা ক্যাম্পাসে কলমের পরিবর্তে চাপাতি নিয়ে আসে দেশীয় জেএমবি, আইএস, হরকতুল জিহাদ, আনসারুল্লাহ বাংলাটিম সবাইকে দেখি চাপাতী দিয়ে কুপিয়ে মানুষ হত্যা করতে তা হলে ওই জঙ্গীদের সাথে এই ছাত্রলীগের কি পার্থক্য ?? এদের কে অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক একটি জঙ্গী সংগঠন হিসেবে। 








কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন