সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০১৭

Some unknown information about how the Satla Youth Parliament was started




সংগঠনের নাম বাংলায় “সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট” ইংরেজী ~ Satla Youth Parliament (SYP) যা অপরিবর্তনীয়। এটি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন

"Satla Youth Parliament" সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্টসাতলার প্রথম অনলাইন ভিত্তিক একটি অরাজনৈতিক সেবামূলক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। সদস্যদের নিজস্ব অর্থে পরিচালিত এই সংগঠনটি বাংলাদেশের বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার অন্তর্গত নং সাতলা ইউনিয়নে কচা নদীর পশ্চিম পাড়ে  অবস্থিত পশ্চিম সাতলাকে কেন্দ্র করে, কিছু শিক্ষিত ও  সচেতন যুব সমাজের তত্বাবধানে গড়ে উঠেছে। ২০১৬ এর ১৬ সেপ্টেমবার মাত্র ০৬ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু সংগঠনটি। শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজসেবা এর মূল লক্ষ্য 

যে ৬ জন মানুষের উদ্যগো শুরু হয়েছিল সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট। তাদের নাম যথাক্রমেঃ
তাওহীদুল ইসলাম রুপক , হিমন হাওলাদার সুইট , শাওন হাওলাদারসানবীর রায়হান,
 মোঃ আরাফুল হাওলাদারমুফরাত হাওলাদার।

যে ম্যাসেজটি তখন দেয়া হয়েছিল  ১ নং সাতলা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আলামদী, ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম সাতলা, ৩ নং ওয়ার্ড শিবপুরের  সমস্ত ফেইসবুক ব্যাবহার কারীর ইনবক্য


হ্যালো , আপনাকে বলছি !

আমরা সাতলা নদীর পশ্চিম পাড়ের কিছু তরুন উদ্দোক্তা। আমাদের উদ্দেশ্য সাতলা নদীর পশ্চিম পাড়ের যুব সমাজকে একটি প্লার্টফর্মে দাড়া করানো। নদীর পশ্চিম পাড়ের যুব সমাজকে নিয়ে একটি সামাজিক উন্নয়ন মূলক সংগঠন তৈরী করা।

নদীর পশ্চিম পাড়ে কোন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কোন সংগঠন নেই। ইতিমধ্যে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতন এই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলটি টিকিয়ে রাখতে ফেইসবুকে সামাজিক আন্দোলন করতে গিয়ে একটি সামাজিক উন্নয়ন মূলক সংগঠনের যে কি প্রয়োজন তা আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাইছে।

তাই সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট ( Satla Youth Parliament )” নামে এই সামাজিক উন্নয়ন মূলক সংগঠনটির অগ্রজাত্রা শুরু করলাম। যারা আমাদের এই অগ্রজাত্রাকে ভালো ভাবে দেখবেন তাদেরকে ওয়েলকাম আর যারা অন্য ভাবে দেখবেন তাদেরকে মোস্ট ওয়েলকাম

ইতিমধ্য আমারা আমাদের সদস্য নিবন্ধন শুরু করছি। আমরা যারা দেশে আছি তাদের সদস্য নিবন্ধন ফি ২০০/= টাকা এবং যারা প্রবাসে আছে তাদের সদস্য নিবন্ধন ফি ৫০০/= টাকা। এছাড়া যে যার সমর্থ অনুযায়ী এর থেকে চাইলে বেশী দিতে পারেন সংগঠনের উন্নয়ের স্বার্থে। প্রথম ২০ জন সদস্যকে সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট ( Satla Youth Parliament )” এর আজীবন সদস্য হিসবে গণ্য করা হবে।

তাই নদীর পশ্চিম পাড়ের যারা আমাদের সদস্য পদ লাভ করতে ইচ্ছুক? তারা নিজের পূণাঙ্গ নাম-ঠিকানা লিখে এই পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন বা +8801811889197 নাম্বারে এস এম এস করুন। এবং সদস্য নিবন্ধন ফি দিতে +8801811889197 এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন। আমাদের সদস্য পদ লাভ করলে আপনার ছবি+সদস্য নং সহ আমাদের সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট ( Satla Youth Parliament ) ফেইসবুক পেইজে পোস্ট দেয়া হবে।

আগামি - দিনের ভিতরে আমাদের প্রাথামিক সদস্য বাছাই পর্ব শেষ হবে।

এর পরবর্তী পদক্ষেপ আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দেব আমাদের পেইজে। আমাদের নিয়মিত আপডেড পেতে আমাদের পেইজটি লাইক করুন এবং আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করুন। এবং এই পেইজ থেকে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা সাতলা নদীর পশ্চিম পাড়ের সব ফ্রেন্ডদের ইনভাইট (Invite) করুন।

আমাদের Facebook পেইজ লিংকঃ https://web.facebook.com/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%A5-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-657282297771920/
আমাদের ভেরিফাইড YouTube চ্যানেল লিংকঃ https://www.youtube.com/channel/UCjZOEXJ0_sR5KvYRne3Bw1Q

বিস্তারিত তথ্যোর জন্য তাওহীদুল ইসলাম রুপক +8801910053100, হিমন হাওলাদার সুইট +8801762758409, শাওন হাওলাদার +8801953152909, সানবীর রায়হান +8801710417059, মোঃ আশরাফুল হাওলাদার +8801982828414, মুফরাত হাওলাদার
+ 8801959659109 যোগাযোগ করুন।
আথবা -মেইল করুনঃ satla.youthparliment@gmail.com

তাই ভাই-ব্রাদার যারা আছো দেশে-বিদেশে সবাই আওয়াজ দাও।

#We Are To Build Our Own Leadership




বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৭

Satla Youth Parliament Eid Fest 2017




"সবার সুখে হাসব আমি
কাঁদব সবার দুখে,
নিজের খাবার বিলিয়ে দেব
অনাহারির মুখে।"



ছোটবেলায় যখন আমরা এই কবিতার চরণগুলি পড়তাম তখন মনে মনে ভাবতাম; কবে বড় হবো। আর কবেই বা আমাদের এই সময়টা আসবে!
আমরাও একদিন জসীম উদদীনের কবিতার মত নিজের সুখ, নিজের দুঃখ, নিজের খাবার অনাহারির মুখে তুলে দিবো।

আর যখন বড় হই।
তখন দৃশ্যপটটা পরিবর্তন হয়ে যায় ;
ভাবনা গুলো কিশোর মনের সুপ্ত বাসনা রুপেই থেকে যায়!
সবাই যেন রাজ্যের সমস্ত কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
আর একবিংশ শতাব্দী এসে তো.. একেক টা মানুষ!
একেক টা রোবট!


পাশের বাড়ি তো দূরে থাক!
পাশের ঘরের মানুষটা ঠিকমত দুবেলা খাবার খেয়েছে কিনা তার খোঁজ রাখার সময় নেই কারোর?
এত কিছুর পরেও কিছু মানুষ আছে..
যারা সমাজের অসহায় মানুষ, হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে রাত-দিন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে!!

ব্যস্ত নগরীর, গ্রাম ও শহরে এলাকায়..
হাজারো সেচ্ছাসেবী সংগঠন এর লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী এখন মহাব্যস্ত!


তেমনি "সাতলা ইউনিয়নের সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট" নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে সমাজের অসহায়, ছিন্নমূল, এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য।

আসন্ন আগামী ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে আমরা "ঈদের খুশি" নামে একটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি।
"ঈদের খুশি ছুঁয়ে যাক-সকল হতদরিদ্র মানুষ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুপ্রাণে"।

এই প্রথম বারের মত সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহন করছে সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট। সম্পূর্ন নিজস্ব আর্থিক উৎস - সদস্য ও শুভাঙ্খীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে সাতলা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আলামদী, ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম সাতলা ও ৩ নং ওয়ার্ড শিবপুরের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদের উপকরন ও পোষাক বিতরন করে এসব মানুষের মুখে ফুটাতে চাই বাধ ভাঁঙা হাসি ও উল্লাস। নিয়মিত জীবনযাপনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের জন্য আমাদের এই সামান্য প্রচেষ্টা।

নিজেদের কিছু কর্মকাণ্ড দিয়ে অন্যদেরও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করা। সাধারণ সময়ে অসহায় মানুষকে সহায়তা করার অনুভূতির পাশাপাশি বিশেষ করে উৎসবের সময় নিজেদের আনন্দটুকুর কিছু অংশ ভাগাভাগি করে নেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সবাই মিলে ভালো কিছু করার চেষ্টা, যা অসহায় মানুষগুলোর মানুষের কাজে লাগবে।
অসংখ্য মানুষ অভিজাত শপিং মল থেকে ঈদের কেনাকাটা করে, একটা পর্যায়ে যদি ভাবে, থাক আর না, অনেক হয়েছে, যেটুকু বাকি আছে, তা থেকে চলো ভাগাভাগি করি বঞ্চিত মানুষের সঙ্গে।
বিনোদনের সঙ্গে এই ঈদ-উৎসব সামনে রেখে মানুষের জন্য কিছু করি। আমরা ডাকলে সবাই সাড়া দেবে। আমাদের বিশ্বাস।কারন আজ.......................

যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা তাঁদের স্বাচ্ছন্দ্যের সামান্য অংশ যদি এগিয়ে দিতে পারেন, কত মানুষ সেটা ভাগাভাগি করে নিতে পারে! অন্তত ঈদ-উৎসব সামনে রেখেও অপেক্ষাকৃত সচ্ছল ব্যক্তিরা যদি এটাকে নৈতিক দায়িত্ব বা ভালো লাগা হিসেবে পালন করেন, তবে অজস্র মুখে হাসির বন্যা বয়ে যেতে পারে। এই শুভকামনা ও ভাগাভাগির ইচ্ছাগুলো যেন ছড়িয়ে পড়ে দেশময় সচেতন 
মানুষের মধ্যে।


বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইভেন্ট এর মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবে
(সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট)


আসন্ন পবিত্র ঈদ -উল আযাহা ২০১৭। এই প্রথম বারের মত সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর 

"প্রজেক্ট ঈদ ফেস্ট ২০১৭"


যেখানে ১টি ইভেন্ট পরিচালনার মাধ্যমে হাসি ফুটানো হবে....... অসহায় ও বঞ্চিত শিশুর মুখে।
উল্লেখিত ইভেন্ট গুলোর মধ্যে রয়েছে..

★ ঈদ -উল আযাহা ২০১৭।
সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদের উপকরন ও নতুন জামা প্রদান।


এই সমাজের উন্নতিতে আমার, আপনার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াসই পারে একটি সুস্থ, সুন্দর এবং বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরী করতে।

হাজারো শিশুর মুখে হাসি ফুটাতে.. এগিয়ে আসুন।
হাজার টা না হোক..

১ টা দিয়েই হোক না শুরু.....
আশাকরি আমাদের এই পথচলায় সাথে থাকবেন আপনিও।

★নিম্নোক্ত নম্বরগুলোর মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান ও যোগাযোগ করতে পারেন:---
তাওহীদুল ইসলাম রুপক (কোষাধক্ষ্য)
(+8801910-053100)
*মো: হাসান হাওলাদার (দপ্তর সম্পাদক)
(+8801910-743011)
ফারহিন শাওন (সাংগঠনিক সম্পাদক)
(+8801925264567)
* শাওন হাওলাদার (তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক)
(+8801930-501333)


"সাতলা_ইয়ুথ_পার্লামেন্ট" এর পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
সকল জীবন হোক সুন্দর ও সম্ভাবনাময়, সেই প্রত্যাশায় "সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট"

সোমবার, ১০ জুলাই, ২০১৭

প্রজেক্ট ঈদের খুশি (Project Eider khushi)

প্রজেক্ট ঈদের খুশি (Project Eider khushi)

 "ঈদের খুশি ছুঁয়ে যাক-সকল হতদরিদ্র মানুষ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুপ্রাণে"




আসছে আগামী পবিত্র ঈদ -উল আযাহা ২০১৭। এই প্রথম বারের মত সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহন করছে সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট। সম্পূর্ন নিজস্ব আর্থিক উৎস - সদস্য ও শুভাঙ্খীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে সাতলা ইউনিয়নের  ১ নং ওয়ার্ড আলামদী, ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম সাতলা ও ৩ নং ওয়ার্ড শিবপুরের  সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদের উপকরন ও পোষাক বিতরন করার মাধ্যমে তাদের  মুখে ফুটাতে চাই বাধ ভাঁঙা হাসি ও উল্লাস। নিয়মিত জীবনযাপনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের জন্য আমাদের এই সামান্য প্রচেষ্টা।

নিজেদের কিছু কর্মকাণ্ড দিয়ে অন্যদেরও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করাসাধারণ সময়ে অসহায় মানুষকে সহায়তা করার অনুভূতির পাশাপাশি বিশেষ করে উৎসবের সময় নিজেদের আনন্দটুকুর কিছু অংশ ভাগাভাগি করে নেওয়াই আমাদের  মূল উদ্দেশ্য পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সবাই মিলে ভালো কিছু করার চেষ্টা, যা অসহায় মানুষগুলোর মানুষের কাজে লাগবে

যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা তাঁদের স্বাচ্ছন্দ্যের সামান্য অংশ যদি এগিয়ে দিতে পারেন, কত মানুষ সেটা ভাগাভাগি করে নিতে পারে! অন্তত ঈদ-উৎসব সামনে রেখেও অপেক্ষাকৃত সচ্ছল ব্যক্তিরা যদি এটাকে নৈতিক দায়িত্ব বা ভালো লাগা হিসেবে পালন করেন, তবে অজস্র মুখে হাসির বন্যা বয়ে যেতে পারেএই শুভকামনা ভাগাভাগির ইচ্ছাগুলো যেন ছড়িয়ে পড়ে দেশময় সচেতন
মানুষের মধ্যে

দেশে ধনী-দরিদ্রের মাঝখানে বিশাল পার্থক্যের মাপ কমবেশি সবারই জানা রয়েছে বিশাল সচেতন-সহূদয় জনগোষ্ঠী প্রয়োজন দিকনির্দেশনা, কার্যক্রম, উদ্যোগী মানুষ এবং সংগঠনের বিশ্বাসের ভিত কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা আমরা যে যার কাজ করি, উপার্জন করি, সচ্ছলতা উপভোগ করি হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও যার যার অবস্থান থেকে যদি একটু মানবতাবাদী কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসি, সেটা খুব কঠিন বিষয় নয় অবশ্যই সচ্ছলতা, স্বাচ্ছন্দ্য বিলাসিতা উপভোগ করব, কিন্তু তার সামান্য ভাগ অন্যদের বিলিয়ে দেব, এই মানসিকতা অধিকাংশ মানুষের ভেতরেই হয়তো আছে, অনেকে উপায় খুঁজে পায় না কীভাবে দেব? কোথায় দেব? ঠিকমতো মানুষের হাতে পৌঁছাবে কি নাএটাই অনেক বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় জন্য দরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নানা পেশাজীবী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একযোগে অন্তত এসব উৎসবের সময় এগিয়ে এলে অসংখ্য মানুষ উপকৃত হতে পারে
অসংখ্য মানুষ অভিজাত শপিং মল থেকে ঈদের কেনাকাটা করে, একটা পর্যায়ে যদি ভাবে, থাক আর না, অনেক হয়েছে, যেটুকু বাকি আছে, তা থেকে চলো ভাগাভাগি করি বঞ্চিত মানুষের সঙ্গে

বিনোদনের সঙ্গে এই ঈদ-উৎসব সামনে রেখে মানুষের জন্য কিছু করি আমরা ডাকলে সবাই সাড়া দেবেআমাদের বিশ্বাস। কারন আজ আমরা সাতলা ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আজ একটি প্লাটফর্মে দাড়াতে পেরেছি। সাতলা ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মের বিশ্বাস ও নিরভরাতর প্রতিক সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট।

সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অপেক্ষাকৃত সচ্ছল ব্যক্তিরা যদি এটাকে নৈতিক দায়িত্ব বা ভালো লাগা হিসেবে পালন করে এগিয়ে আসেন, তবে ঈদের খুশি
প্রজেক্টটি (Project Eider khushi) আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবো। আপনার আমার সামান্ন কিছু আার্থিক সহযোগিতায় অজস্র মুখে হাসির বন্যা বয়ে যেতে পারেএই শুভকামনা ভাগাভাগির ইচ্ছাগুলো যেন সবার মাঝে জাগ্রত হয় এই কামনায় শেষ করছি সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তাওহীদুল ইসলাম রুপক

কোষাদক্ষ, সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট