সাপলার বিলের মাঝে জনবিচ্ছিন্ন এক গ্রাম আলামদি। এই গ্রামটি নিয়েই এবারের আমাদের আয়োজন। একটি দিঘীটি ঘিরেএই গড়ে উঠে এই গ্রামটি। দিঘীটির নাম আলামদির “বড়দিঘী”। এই দিঘীটি নিয়ে অনেক
রূপকথা প্রচলিত আছে। লোকমুখে শোনা যায় এই দিঘীটি নাকি কোন এক জোস্নারাতে পরীরা কেটেছিল।
অনেক মানুষের কাছে এটি “পরীর দিঘী” নামে পরিচিত।
চিত্রঃ "পরীর দিঘীর" লাল শাপলা
চিত্রঃ ইয়ুথ পার্লামেন্টের "শাওমি শাওন" শাপলা তুলতে ব্যাস্ত।
চিত্রঃ মেঘের অনেক রং।
ভিডিওঃ বিলে টাকি মাছের পোনার ঝাঁক (ক্যামের বন্ধী করেছেন শাওমী শাওন)
চিত্রঃ মন্দির ভিওিক শিশু ও গনশিক্ষা কার্যক্রম।
সাপলার বিলের মাঝে জনবিচ্ছিন্ন এক স্কুল “আলামদী সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়”।আলামদির “বড়দিঘীর পাড়ে” অবস্তিত এই স্কুলটি। এখানে যাবার মত আজও কোন উপযুক্ত
রাস্তা নির্মান হয়নি। পুরনো রাস্তাটি বর্তমান আলামদি ওয়ার্ডের মেম্বার সংস্করন করলেও
সেটা বর্ষার মৌসুমে পুরোপুরি পানির নিচে থাকে। শুকনো মশুমেও পা কাদায় না ভিজিয়ে এখানে
পৌছানো সম্ভব না। জনবিছিন্ন এই স্কুলে শিক্ষার্তীদের ভোগান্তিরও শেষ নেই। প্রধান শিক্ষকের
সাথে কথা বলে যানা গেল তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা। এখানের জনবসতিগুলোও ভিন্ন ভিন্ন।
এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ি নৌকা ছাড়া বর্ষা মৌশুমে
যাওয়া যায় না। জনবিচ্ছিন্ন এই গ্রামে আজও নির্মাণ করা হয়নি কোন “সাইক্লোন সেন্টার”।অথচ
২০০৬ সালের সিডরে সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় এখানকার মানুষ। এলাকাবাসীর দাবী পশ্চিম
সাতলা প্রধান পীচড়ালা সড়কের সাথে আর জনবিচ্ছিন্ন আলামদীর সাথে একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ
করা হোক।তাহলে তাদের ভোগান্তির কিছুটা অপসারন হবে। এমনকি ফটোশুটের জন্য আমাদের “ইয়ুথ
পার্লামেন্টের’ টিম এই স্কুলের উদ্দেশে রওনা হলে মাঝপথে বিলের মধ্যে নৌকাডুবিতে তাদের
মোবাইল ও ক্যামেরাগুলো ভিজে অনেক ক্ষয়ক্ষতি
হয়। কিন্তু তার পরেও তারা থেমে থাকেনি।তারা তুলে ধরেছে সেখানকার বাস্তব চিত্র। ধন্যবাদ
তাদের এই দুরদুরান্ত সাফ্যলোর জন্য।
ভিডিওঃ প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে যানা গেল তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা।
আলামদির “বড়দিঘী” এই দিঘীটি নিয়ে অনেক রূপকথা প্রচলিত আছে। এখানকার এই বৃদ্ধের মুখ থেকে শুনলাম সে গল্প।
চিত্রঃ আলামদির “বড়দিঘী”
আলামদির “বড়দিঘী” এই দিঘীটি ঘিরেএই গড়ে উঠে এই গ্রামটি। এই
দিঘীটি নিয়ে অনেক রূপকথা প্রচলিত আছে।লোকমুখে শোনা যায় এই দিঘীটি নাকি কোন এক জোস্নারাতে
পরীরা কেটেছিল। অনেক মানুষের কাছে এটি “পরীর দিঘী” নামে পরিচিত।প্রতি জোস্নারাতে এই
দিঘীতে নাকি “স্বর্ণের নৌকা” ভাসতে দেখা যেত। এখানকার কোন বাড়িতে কোন অনুষ্টান পড়লে
নাকি এই দিঘী থেকে পিতলের থালা-বাসন, ঢ্যাক ভেসে ওরতো, আবার অনুষ্টান শেষে সেগুলো দিঘীর
জ্বলে ডুবিয়ে দেয়া হত। কিন্তু কোন একদিন কেউ একটি বাসন চুরি করে গোবোরের ডিবির ভিতর
লুকিয়ে রাখলে আর কখৌনই সেগুলো আর ভেসে ওঠেনি।সব থেকে বড় কথা এই দিঘীটির আজ পর্যন্ত
পানি সেচে শুকানো যায় নি।এই দিঘীর পারে একটি বড়গাছ আছে।এখানকার বাসিন্দারা সেটির ছবি
কাউকে তুলতে দ্যায় না। তাদের ধারনা কেউ এই বডগাছের ছবি তুললে তাদের অমঙ্গল হবে।
চিত্রঃ এখানকার সাধারন মানুষের জীবন চিত্র।
চিত্রঃ পাতি হাসেঁর ঝাক।
চিত্রঃ উদয়ন যুব ক্লাব
ভিডিওঃ মনোমুগ্ধকর শাপলার বিলে "সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্টের " সদস্যরা










































কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন