মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬

শীত মৌসুম আসতে না আসতেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার পশ্চিম সাতলা গ্রামের অবৈধ পাখি শিকারীরা।সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্থানীয় সংঘবদ্ধ পেশাদার পাখি শিকারী চক্র আশেপাসের আলামদীর বিল, শীবপুরের বিল অঞ্চল থেকে নিয়মীত পাখি শিকার করে তা স্হানীয় একতা বাজার ও মাছের গালায় নিয়ে আসছে বিক্রির জন্য। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


                তথ্য ও ছবিঃ মহামান্য কহেন





বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার পশ্চিম সাতলা, আলামদী ও শীবপুরের  খাল-বিল, নদী-নালা সহ বিভিন্নজলাশয় থেকে  অবাধে
শিকার করা হচ্ছে দেশী ও পরিযায়ী  পাখি 

প্রতিদিন স্থানীয় একতা বাজারে ও মাছের গালায় খুব ভোরে শিকারীরা পাখিগুলো নিয়ে আসে বিক্রির জন্য। স্থানীয় রাজনীতিবীদ ও প্রভাবশালীরা মেতে উঠে বিভিন্ন প্রজাতীর দেশী ও পরিযায়ী পাখি ক্রয়ের প্রতিযোগিতায়। শুধু এলাকার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মটরসাইকেল যোগে মানুষ আসে এই পাখি ক্রয়ের জন্য। এমনকি বিভিন্ন সরকারী অসাধু কর্মকর্তাদের বাসায় নিয়মীত পৌছে দেয়া হচ্ছে এইসব শিকার করা পাখি। চলছে তাদের বাসায় পাখির মাংসের ভোজন বিলাস।




পাখি বিক্রেতা “বিশ্বনাথ”। উনি একতা বাজারে নিয়মীত পাখি বিক্রী করেন। যতটুকু যানা যায় উনি নিজে পাখি শিকার করেন না। ওনার পরিবারের অন্য সদস্যরা বিল থেকে ফাঁদ ও জাল পেতে পাখি শিকার করে এবং এর বাহিরে উনি অন্য শিকারিদের কাছ থেকে পাখি সরবরাহ করেন বাজারে এনে বিক্রী করার জন্য।





বন্যপ্রাণী ও অতিথি পাখি সংরক্ষণের জন্য অনেক আগে থেকেই আইন রয়েছে। বৃটিশ আমলে এ সম্পর্কিত বেশকিছু বিশেষ আইন ও বিধিমালা ছিল, যার মাধ্যমে বন্যপ্রাণী, পাখি ও অন্যান্য প্রাণী সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এ আইনগুলোর মধ্যে উল্লে¬খযোগ্য ছিল— Act for the Preservation of Wild Elephants, 1879; The Wild Birds and Animals Protection Act, 1912; The Bengal Rhinoceros Preservation Act, 1932 প্রভৃতি । এছাড়াও The Indian Forest Act, 1927-এর মাধ্যমে কোন কোন বনাঞ্চলে শিকার করা যাবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত বিধিবিধান করা হয়েছিল এবং সে অনুযায়ী সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। সরকার বনভূমিসমূহকে দুই ভাগে ভাগ করেছিল। প্রথম শ্রেণির বনভূমিতে বন্যপ্রাণী ও পাখি ধরা সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় শ্রেণির বনভূমিতে সীমিতভাবে সেই সকল ব্যক্তিকেই বন্যপ্রাণী শিকার ও পাখি ধরার অনুমতি দেওয়া হতো যাঁরা ১৯২৭ সালের ভারতীয় বন আইনের অধীনে বিভিন্ন শর্ত মেনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হতেন। এই আইনটি বাংলাদেশে The Forest Act, 1927 নামে কার্যকর আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এ আইন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশেষ কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকার ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে Bangladesh Wildlife (Preservation) Act পাস করে। ১৯৭৪ সালে এ আইনের কিছু সংশোধন করা হয়। এ আইনের মোট ৪৭টি ধারা এবং তিনটি তফসিল রয়েছে। আইনটির মাধ্যমে Bangladesh Wildlife Advisory Board গঠনসহ ন্যাশনাল পার্ক ঘোষণা ও প্রাণী অভয়ারণ্য সৃষ্টি করা হয়েছে। আইন লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাস্তি ও জরিমানার ব্যবস্থা। ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থাপন, সরকারি কর্মকর্তাদের দায়দায়িত্বসহ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বিভিন্ন বিধিবিধান বর্ণনা করা হয়েছে আইনটিতে। তফসিলগুলোতে এমনকিছু বন্যপ্রাণীর নাম উল্লে¬খ আছে, যেগুলো শিকার করতে সরকারের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে। আবার তফসিলে এমন কতিপয় প্রাণীর নাম আছে, যেগুলো কোনোভাবেই শিকার করা যাবে না। প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় অংশে কতিপয় সরীসৃপ, পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাম আছে যেমন: কোলা ব্যাঙ, সবুজ ব্যাঙ, হলুদ পাহাড়ি কাছিম, পিয়ং হাঁস, রাংগামুরি, রাজহাঁস, জলার চা পক্ষী, ডুবুরী, বন্য শূকর ইত্যাদি শিকার করতে সরকারের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে। পূর্ণাঙ্গ আইন এই ঠিকানায় পাবেন http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_pdf_part.php?id=1102





শীতকালে  সাতলার বিভিন্ন জলাশয়ে অতিথি পাখির আগমনে প্রকৃতির পরিবেশে চঞ্চলতা ফিরে আসে। পাখি শিকারিদের শ্যোনদৃষ্টি পড়ে পাখির ওপর। শীত মৌসুমে প্রচন্ড শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রতি বছর বিভিন্ন দেশ থেকে ঝাঁকে-ঝাঁকে অতিথি পাখির আগমন ঘটে। শীত কমে এলে আবার তারা ফিরে যায় নিজ গন্তব্য। আসা যাওয়ার সময়টুকুতে লোভী পাখি শিকারিদের ফাদে পড়ে অনেক পাখি প্রাণ হারায়। এতে করে শিকারিদের  জন্য পাখিরা তাদের বিচরণক্ষেত্র পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। আইনত অতিথি পাখি ধরা, খাওয়া ও শিকার দ-নীয় অপরাধ হলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। প্রকাশ্যে হাট-বাজারে অতিথি পাখি বিক্রি করেও পার পেয়ে যাচ্ছে অনেকে। তাই আরো বেপোরোয়া হয়ে গেছে পাখি শিকারিরা। অনতিবিলম্বে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে পাখি শিকারিদের প্রতিরোধ করে আমাদের সাতলাকে পাখিদের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।




এসব এলাকাগুলো প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টিতে কমই আসেতাছাড়া পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও আইনের প্রয়োগ না থাকায় অবাধে পাখিশিকার করে যাচ্ছেন শিকারীরা 










পাখি বিক্রেতা আকবার। ওনাকে সবাই “পক্ষী আকবার” বলেই চেনে। উনি বিলঅঞ্চেলর পাখি শিকারীদের কাছ থেকে ঘুরে ঘুরে পাইকারী দামে পাখি সংগ্রহ করেন এবং সেগুলো বাজারে নিয়ে এসে চড়া দামে বিক্রি করেন। একমাত্র উনি এই ভালো ভাবে বলতে পারবেন অত্র অঞ্চলে কত জন পাখি শিকারী আছেন এবং কারা পাখি শিকারের সাথে জড়িত। আসুন, এই পাখিদের আমরা রক্ষা করি। এ ব্যাপারে সচেতন নাগরিক, পরিবেশবাদী সংগঠন, মিডিয়া কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার সুহূদ প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে এগিয়ে আসা দরকার। পাখি শিকারের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হোক। সর্বোপরি, অতিথি পাখিসহ সব পাখি শিকার বন্ধ হোক। 









জেলা প্রশাসক  গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান কাছে আমাদের আবেদন  যারা পাখি শিকার করছে তাদেরআইনের আওতায়  আনা হোক 

রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৬

আলামদীর বিলের নয়ন জুড়ানো সৌন্দর্যের প্রতীক  লাল শাপলা। 

ছবিঃ ফার্রিন শাওন
তথ্যঃ তাওহীদুল ইসলাম রুপক







চারিদিকে বিস্তৃত  লাল শাপলার সমারোহ আপনাকে অন্যজগতে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা আর এই শাপলার এই রঙীন ছবি দেখতে হলে আপনাকে আসতে হবে রুপময় বরিশালে। চারিদিকে সবুজের ক্যানভাসে লাল টুকটুকে সলাজ হাসিতে আপনি মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রাম আর আগৈলঝাড়া উপজেলা বাগধা গ্রামের সম্মিলনী বিলে শাপলা রানী তার সাম্রাজ্য পেতেছে। বিলে স্থানীয় মানুষরা দেশীয় মাছ ধরে । শাপলা তাদের কাছে এক বাড়তি সমস্যা। কেউ কেউ শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করে বটে- তবে তাদের সংখ্যা নগন্য। স্থানটিতে বরিশাল থেকে ভাড়া বা নিজস্ব গাড়িতে দেড় ঘন্টায় যাওয়া যায়। গুগুল জানিয়েছে বরিশাল থেকে এর দূরত্ব অন্তত ৬১ কিমি। তবে এই স্থানে যে কেউ গেলে পৌছতে হবে ভোড় ৬ টার মধ্যে। সেক্ষেত্রে বরিশাল থেকে গেলে ভোড় ৪ টায় রওনা দিতে হবে। রোদ হলে শাপলা নেতিয়ে পরে। এই এলাকায় স্থানীয় মানুষের নৌকা ব্যাতিত যাওয়ার উপায় নেই সে ক্ষেত্রে আগেই কন্ট্রাক্ট করতে হবে। রুপসী বরিশালের এই  দৃশ্যগুলো  এই অক্টোবর পর্যন্ত অমলিন থাকবে।



















মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬





বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার পশ্চিম সাতলা, আলামদী ও শীবপুরের  খাল-বিল, নদী-নালা সহ বিভিন্ন জলাশয় থেকে  অবাধে  শিকার করা হচ্ছে দেশী ও পরিযায়ী  পাখি প্রতিদিন স্থানীয় একতা বাজারে ও মাছের গালায় খুব ভোরে শিকারীরা পাখিগুলো নিয়ে আসে বিক্রির জন্য। স্থানীয় রাজনীতিবীদ ও প্রভাবশালীরা মেতে উঠে বিভিন্ন প্রজাতীর দেশী ও পরিযায়ী পাখি ক্রয়ের প্রতিযোগিতায়। শুধু এলাকার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মটরসাইকেল যোগে মানুষ আসে এই পাখি ক্রয়ের জন্য। এমনকি বিভিন্ন সরকারী অসাধু কর্মকর্তাদের বাসায় নিয়মীত পৌছে দেয়া হচ্ছে এইসব শিকার করা পাখি। চলছে তাদের বাসায় পাখির মাংসের ভোজন বিলাস।


        ছবিঃ পক্ষী আকবারের খাঁচা ভর্তী বন্ধী পাখি।










এসব এলাকাগুলো প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টিতে কমই আসে তাছাড়া পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও আইনের প্রয়োগ না থাকায় অবাধে পাখি শিকার করে যাচ্ছেন শিকারীরা 



 
জেলা প্রশাসক  . গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান , কাছে আমাদের আবেদন  যারা পাখি শিকার করছে তাদের আইনের আওতায়  আনা হোক এক্ষেত্রে আমরা সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট এর পক্ষ থেকে সব ধরনের তথ্য দিয়ে সহায়তা করবো।

বুধবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৬

মনে পড়ে কি ? এই বদরুল সেই বদরুল !! এবং জাফর ইকবাল স্যারের সাফাই.....।

লিখেছেন ব্লগার  ম্রিয়মাণ পিঙ্গল




২০১২ সালের দশই জুলাই শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এমসিকলেজের শিবির নিয়ন্ত্রীত ছাত্রাবাসের শতাধিক কক্ষ পুড়িয়ে দেয় ছাত্রলীগ তার কিছুদিন পড়ে ক্যাম্পাস সংলগ্ন হাউশা গ্রামের স্থানীয়রা এক বখাটে যুবককে ব্যাপক মারধর করে  


                                     


যখন যুবকটির পরিচয় পাওয়া যায় সে ছাত্রলীগের নেতা, অমনি হলুদ সাংবাদিকরা এটাকে শিবিরের প্রতিশোধ বলে চালিয়ে দেন এমনকি জাফর ইকবাল স্যারও যথারীতি এক চিমটি আবেগ, দুই চামচ মুক্তিযুদ্ধ মিশিয়ে এই বদরুলের প্রতি দরদ দেখিয়ে কলাম লিখেন! "শিবির ছেলেটির রগ কেটে দিয়েছে....আর কোনোদিন স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারবে না.....ব্লা...ব্লা...." 






ছাত্রীর উপর হামলাকারী বদরুল ক্যাম্পাসের একটা পরিচিত ক্যারেক্টার। বদরুলের বন্ধুরা ক্যাম্পাসে/ক্লাসে ওর নামের শেষের "রুল" টা বাদ দিয়ে শুধু "বদ" ডাকতো আসেলই যে কতটা বদ ছিল তা চাপাতী দিয়ে কুপিয়ে দেখিয়ে দিল যাকে ভালবাসে তাকে আঘাত করে কি ভাবে তাও আবার হত্যার উদ্দেশ্যে!! এরা কি রবীন্দ্রনাথ কে পড়ে নি "যাকে ভালবাস তাকে ছেড়ে দাও যদি সে ফিরে আসে তবে সে তোমার, আর যদি না আসে তবে সে কখনোই তোমার ছিল না" তার বিভাগের স্টুডেন্টরা ছাড়াও অন্য অনেক ছেলেমেয়েই তাকে চিনে। চেনার কারণ জানতে চাইলে আমাদের যেতে হবে বেশ কয়েকবছর পেছনে। ২০১১/২০১২ তে। ক্যাম্পাস সংলগ্ন হাউশা গ্রামে বদরুল নার্গিসদের বাড়িতে লজিং থাকতো, নার্গিস তখন ক্লাস নাইনে পড়ে। সেখান থেকেই নার্গিসের সাথে তার পরিচয়, অত:পর "ঝামেলা!" একপর্যায়ে নার্গিসের অভিভাবকরা তাকে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়!


.
এরপর সে বিভিন্ন সময় নার্গিসের আত্মীয় স্বজনদের হুমকি দিতে থাকে। এই নার্গিস সংক্রান্ত ব্যাপারটা বদরুলের প্রায় ক্লাসমেটরাই জানে। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে একবার বদরুল নার্গিসের এলাকায় গেলে তার আত্মীয় স্বজনরা তাকে পেটায়। অনেক মার দেয়। সিলেটের সবচেয়ে প্রচারিত পত্রিকা "দৈনিক সিলেটের ডাক" এই খবরটি আসে, "তথাকথিত প্রেমের জের ধরে হামলার শিকার শাবিছাত্র........এরকম নিউজ হয়"! যদিও জাতীয় পত্রিকাগুলোতে এসেছিলো





"
ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের উপর হামলা করেছে শিবির......" (উল্লেখ্য বদরুল মার খাওয়ার দু তিনদিন আগে ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে শিবির-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ হয়)



এখন এই বদরুলদের কি করা দরকার ?? ছাত্রলীগের এই নেতাকে গতকাল দেখলাম একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেল (নিউজ২৪) কে দেয়া একসাক্ষাৎকারে সেন্ট্রাল সেক্রেটারী জাকির হোসেন বললেন সে যেহেতু চাকরী করে তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সে ছাত্রলীগের কেউ না


                                   কিন্তু সত্যটা কিন্তু আলাদা




              এই ছাত্রলীগকে তো আমরা বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি




                       বরিশাল পলিটেকনিকে প্রকাশ্যে মানুষ কোেপাতে দেখেছি  

এরা ক্যাম্পাসে কলমের পরিবর্তে চাপাতি নিয়ে আসে দেশীয় জেএমবি, আইএস, হরকতুল জিহাদ, আনসারুল্লাহ বাংলাটিম সবাইকে দেখি চাপাতী দিয়ে কুপিয়ে মানুষ হত্যা করতে তা হলে ওই জঙ্গীদের সাথে এই ছাত্রলীগের কি পার্থক্য ?? এদের কে অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক একটি জঙ্গী সংগঠন হিসেবে।