শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ইসমাইল হোসেন স্মৃতি সংঘের ঘরটি এখন ব্যাবহৃত হচ্ছে “ছাগলের”  থাকার ঘর হিসেবে।





বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ইসমাইল হোসেন স্মৃতি সংঘ এখন শুধু স্মৃতি হিসেবে পড়ে আছে নদীর কিনারে। কর্তপক্ষের অবহেলার কারনে ইসমাইল হোসেন স্মৃতি সংঘের ঘরটিও এখন পরিতক্ত ।এটি ব্যাবহৃত হচ্ছে এখন “ছাগলের” থাকার ঘর হিসেবে।গত দুই বছর যাবত এলাকার একটি মহল ঘরটিতে নিয়মিত ছাগল পালন করে আসছেন।





২০০১ সালে সংগঠনটির পদযাত্রা শুরু হলেও কমিটির অবহেলার, সদস্যোদের অনিয়ম, আরো বিভিন্ন  কারনে ২০০৪ দিকে এটির কার্য়ক্রম বন্ধ হয়ে য়ায়।আথচ সালতার কয়েকটি সাফাল্যগাথা টুর্নারমেন্ট এই ক্লাবের উদ্দেগেই আয়োজন করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৪ বছর পরে ২০০৯ সালে এলকার কিছু তরুন প্রজন্ম আবার উদ্যোগ নিয়ে সংগঠনটিকে পুনরায় সক্রিয় করলেও এটির নাম ব্যাবহার করে শুরু হয় দুর্নীতি। তৎকালিন কিছু রাজনিতীবিদ “বীর মুক্তি যোদ্ধা শহীদ ইসমাইল হোসেন স্মৃতি সংঘের” নাম ব্যবহার করে রিলিফের চাল, টিয়ায়ের গম, বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে তা তারা নিজেরা আত্নসাত করে। এর কয়েক মাস পরেই বীর মুক্তিযোদ্ধ ও অত্র এলকার প্রাক্তন চেয়ারম্যান জনাব ফজলুল হক হাওলাদার ঘরটি তার ব্যাক্তিগত আয়ামিলীগের আফিস হিসবে ব্যাবহার করতে শুরু করেন।এর পর থেকে সংগঠনটি আর কখনৌই মাথা উচু করে দাড়াতে পারে নি।

মৃতপ্রায় এই সংগঠনটি নিয়ে এখনো অনেক গুজব শোনা যায়। এটির নাকি সরকারি নিবন্ধন হচ্ছে। তার থেকেও যেটা সব থেকে বেশী জরুলী সেটা হচ্ছে জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন? সাতলা ইউনিয়নের এক জন এই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন যিনি “শহীদ” হয়েছেন। তিনি হলেন “বীর মুক্তি যোদ্ধা শহীদ ইসমাইল হোসেন” তার স্মৃতি বিজরিত ঘরটি পরিত্যাক্ত থাকুক সেটা কোন বিষয় না। সেখানে কিভাবে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের এই একজন ঘরটিতে নিয়মিত ছাগল পালন করে আসছেন সেটাই আমাদের মত তরুন প্রজন্মের বোধগম্য না। এই কি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা................?..?

তাই এলাকা বাসীর প্রতি অনুরোধ অন্তত একজন মুক্তিযোদ্ধাকে আমরা সন্মান জানাতে না পারি তার সুনামটুকু ক্ষুন্ন করবো না।




ছবিঃ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিবিজড়িত মাইলফলক। এই মাইলফলকে অত্র ইউনিয়নের প্রতেক “বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম” খোদাই করে লিপীবদ্ধ করা আছে।









           ছবিঃ এটা আমাদের সবার প্রিয় খেলার মাঠ। কত শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই মাঠের সাথে। এই মাঠটি এখন আর আগের মত নেই। অবহেলায়, অযত্নে এটিরও বেহাল দশা। খেলা-দুলার পরিবর্তে এখানে নিয়মিত চড়ানো হচ্ছে এলাকা বাসীর গরু-ছাগল।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন