প্রচ্ছদ » উজিরপুর » অনিশ্চিয়তা মাঝে পড়াশুনা করছে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতনের কোমলমতি শিশুরা, যেকোন সময় বন্ধ হতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
সোমবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ০৪:০৯ মিনিট
অনিশ্চিয়তা মাঝে পড়াশুনা করছে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতনের কোমলমতি শিশুরা, যেকোন সময় বন্ধ হতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
নিজস্ব প্রতিনিধি- সাতলা, উজিরপুর, বরিশাল
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা একটি আদর্শ গ্রাম। লাল শাপলার বৈচিত্রময় ঘেরা সাতলা গ্রাম। এমন বৈচিত্রময় গ্রামে শিক্ষা দীক্ষা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, উন্নত হচ্ছে সামাজিক ও রাজনীতিক অবস্থা। সাতলা ইউনিয়নে ১৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকা সত্ত্বে ও ব্যক্তি মালিকানা ভাবে গড়ে উঠেছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান বাংলা ভার্সনের পাশাপাশি ইংরেজী ভার্সনে শিক্ষা প্রদান করে আসছেন।
এলাকায় শিক্ষা প্রসার বৃদ্ধি করার জন্য জনাব আক্তার উজ্জামান হিরু, তিনি নিজের উদ্যোগে ২০১১ সালে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতন নামে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চালু করেন। স্কুলটি সাতলা নদীর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত। দীর্ঘ দিন যাবত স্কুলটি সুনামের সহিত শিক্ষা প্রদান করেছেন। সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতনের কর্নধর জনাব আক্তার উজ্জামান হিরু ২০১৬ সালে মৃত্যু বরণ করলে স্কুলটির অর্থনৈতিক অস্বচলতা দেখা দেয়। যার ফলে স্কুলটি অবিভাবক বিহীন পরিচালিত হচ্ছে।
স্কুলের মুল ভবনের নিজস্ব কোন জায়গা না থাকায়, ঘর ভাড়া নিয়ে এত বছর ধরে আক্তার উজ্জামান হিরু সাহেব স্কুলটি পরিচালনা করেছেন। স্কুলের ঘর ভাড়া ও শিক্ষকদের বেতনসহ গত পাঁচ মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ঘর ভাড়ার জন্য বাড়ির মালিক স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। বর্তমানে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতন স্কুলে ১১০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও ৭ জন শিক্ষক রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৮০-৯০ জন ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে আসে। এত গুলো কোমল মতি শিশুদের শিক্ষা এখন হুমকির মুখে, অবিভাবক ও রয়েছেন চিন্তিত। তাই অবিভাবকদের একটাই দাবি, যেন কোন ভাবে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতন স্কুল বন্ধ না হয় সেদিকে সকলের দৃষ্টি রাখার অনুরোধ করেছেন। স্কুল কে সচল রাখার জন্য সকালের আর্থিক সহযোগীতাও কামনা করেছেন।
স্কুলের মুল ভবনের নিজস্ব কোন জায়গা না থাকায়, ঘর ভাড়া নিয়ে এত বছর ধরে আক্তার উজ্জামান হিরু সাহেব স্কুলটি পরিচালনা করেছেন। স্কুলের ঘর ভাড়া ও শিক্ষকদের বেতনসহ গত পাঁচ মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ঘর ভাড়ার জন্য বাড়ির মালিক স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। বর্তমানে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতন স্কুলে ১১০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও ৭ জন শিক্ষক রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৮০-৯০ জন ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে আসে। এত গুলো কোমল মতি শিশুদের শিক্ষা এখন হুমকির মুখে, অবিভাবক ও রয়েছেন চিন্তিত। তাই অবিভাবকদের একটাই দাবি, যেন কোন ভাবে সাতলা মডেল বিদ্যানিকেতন স্কুল বন্ধ না হয় সেদিকে সকলের দৃষ্টি রাখার অনুরোধ করেছেন। স্কুল কে সচল রাখার জন্য সকালের আর্থিক সহযোগীতাও কামনা করেছেন।
ধন্যবাদ, “এম সোহেল চৌধুরী” সম্পাদক সাতলা নিউজ২৪.কম। আমাদের স্কুলটি নিয়ে সাতলা নিউজ২৪.কম এ প্রতিবেদন করার জন্য।
http://www.satlanews24.com/4629




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন