"সবার সুখে হাসব আমি
কাঁদব সবার দুখে,
নিজের খাবার বিলিয়ে দেব
অনাহারির মুখে।"
ছোটবেলায় যখন আমরা এই কবিতার চরণগুলি পড়তাম তখন মনে মনে ভাবতাম; কবে বড় হবো। আর কবেই বা আমাদের এই সময়টা আসবে!
আমরাও একদিন জসীম উদদীনের কবিতার মত নিজের সুখ, নিজের দুঃখ, নিজের খাবার অনাহারির মুখে তুলে দিবো।
আর যখন বড় হই।
তখন দৃশ্যপটটা পরিবর্তন হয়ে যায় ;
ভাবনা গুলো কিশোর মনের সুপ্ত বাসনা রুপেই থেকে যায়!
সবাই যেন রাজ্যের সমস্ত কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
আর একবিংশ শতাব্দী এসে তো.. একেক টা মানুষ!
একেক টা রোবট!
পাশের বাড়ি তো দূরে থাক!
পাশের ঘরের মানুষটা ঠিকমত দুবেলা খাবার খেয়েছে কিনা তার খোঁজ রাখার সময় নেই কারোর?
এত কিছুর পরেও কিছু মানুষ আছে..
যারা সমাজের অসহায় মানুষ, হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে রাত-দিন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে!!
ব্যস্ত নগরীর, গ্রাম ও শহরে এলাকায়..
হাজারো সেচ্ছাসেবী সংগঠন এর লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী এখন মহাব্যস্ত!
তেমনি "সাতলা ইউনিয়নের সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট" নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে সমাজের অসহায়, ছিন্নমূল, এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য।
আসন্ন আগামী ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে আমরা "ঈদের খুশি" নামে একটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি।
"ঈদের খুশি ছুঁয়ে যাক-সকল হতদরিদ্র মানুষ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুপ্রাণে"।
এই প্রথম বারের মত সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহন করছে সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট। সম্পূর্ন নিজস্ব আর্থিক উৎস - সদস্য ও শুভাঙ্খীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে সাতলা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আলামদী, ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম সাতলা ও ৩ নং ওয়ার্ড শিবপুরের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদের উপকরন ও পোষাক বিতরন করে এসব মানুষের মুখে ফুটাতে চাই বাধ ভাঁঙা হাসি ও উল্লাস। নিয়মিত জীবনযাপনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের জন্য আমাদের এই সামান্য প্রচেষ্টা।
নিজেদের কিছু কর্মকাণ্ড দিয়ে অন্যদেরও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করা। সাধারণ সময়ে অসহায় মানুষকে সহায়তা করার অনুভূতির পাশাপাশি বিশেষ করে উৎসবের সময় নিজেদের আনন্দটুকুর কিছু অংশ ভাগাভাগি করে নেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সবাই মিলে ভালো কিছু করার চেষ্টা, যা অসহায় মানুষগুলোর মানুষের কাজে লাগবে।
অসংখ্য মানুষ অভিজাত শপিং মল থেকে ঈদের কেনাকাটা করে, একটা পর্যায়ে যদি ভাবে, থাক আর না, অনেক হয়েছে, যেটুকু বাকি আছে, তা থেকে চলো ভাগাভাগি করি বঞ্চিত মানুষের সঙ্গে।
বিনোদনের সঙ্গে এই ঈদ-উৎসব সামনে রেখে মানুষের জন্য কিছু করি। আমরা ডাকলে সবাই সাড়া দেবে। আমাদের বিশ্বাস।কারন আজ.......................
যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা তাঁদের স্বাচ্ছন্দ্যের সামান্য অংশ যদি এগিয়ে দিতে পারেন, কত মানুষ সেটা ভাগাভাগি করে নিতে পারে! অন্তত ঈদ-উৎসব সামনে রেখেও অপেক্ষাকৃত সচ্ছল ব্যক্তিরা যদি এটাকে নৈতিক দায়িত্ব বা ভালো লাগা হিসেবে পালন করেন, তবে অজস্র মুখে হাসির বন্যা বয়ে যেতে পারে। এই শুভকামনা ও ভাগাভাগির ইচ্ছাগুলো যেন ছড়িয়ে পড়ে দেশময় সচেতন
মানুষের মধ্যে।
বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইভেন্ট এর মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবে
(সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট)
আসন্ন পবিত্র ঈদ -উল আযাহা ২০১৭। এই প্রথম বারের মত সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর
"প্রজেক্ট ঈদ ফেস্ট ২০১৭"
যেখানে ১টি ইভেন্ট পরিচালনার মাধ্যমে হাসি ফুটানো হবে....... অসহায় ও বঞ্চিত শিশুর মুখে।
উল্লেখিত ইভেন্ট গুলোর মধ্যে রয়েছে..
★ ঈদ -উল আযাহা ২০১৭।
সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদের উপকরন ও নতুন জামা প্রদান।
এই সমাজের উন্নতিতে আমার, আপনার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াসই পারে একটি সুস্থ, সুন্দর এবং বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরী করতে।
হাজারো শিশুর মুখে হাসি ফুটাতে.. এগিয়ে আসুন।
হাজার টা না হোক..
১ টা দিয়েই হোক না শুরু.....
আশাকরি আমাদের এই পথচলায় সাথে থাকবেন আপনিও।
★নিম্নোক্ত নম্বরগুলোর মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান ও যোগাযোগ করতে পারেন:---
তাওহীদুল ইসলাম রুপক (কোষাধক্ষ্য)
(+8801910-053100)
*মো: হাসান হাওলাদার (দপ্তর সম্পাদক)
(+8801910-743011)
ফারহিন শাওন (সাংগঠনিক সম্পাদক)
(+8801925264567)
* শাওন হাওলাদার (তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক)
(+8801930-501333)
"সাতলা_ইয়ুথ_পার্লামেন্ট" এর পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
সকল জীবন হোক সুন্দর ও সম্ভাবনাময়, সেই প্রত্যাশায় "সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন