প্রজেক্ট ঈদের খুশি (Project
Eider khushi)
"ঈদের খুশি ছুঁয়ে যাক-সকল
হতদরিদ্র মানুষ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুপ্রাণে"।
আসছে আগামী পবিত্র ঈদ -উল আযাহা ২০১৭। এই প্রথম বারের মত সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহন করছে সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট। সম্পূর্ন নিজস্ব আর্থিক উৎস - সদস্য ও শুভাঙ্খীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে সাতলা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আলামদী, ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম সাতলা ও ৩ নং ওয়ার্ড শিবপুরের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদের উপকরন ও পোষাক বিতরন করার মাধ্যমে তাদের মুখে ফুটাতে চাই বাধ ভাঁঙা হাসি ও উল্লাস। নিয়মিত জীবনযাপনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের জন্য আমাদের এই সামান্য প্রচেষ্টা।
নিজেদের কিছু কর্মকাণ্ড দিয়ে অন্যদেরও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করা। সাধারণ সময়ে
অসহায়
মানুষকে
সহায়তা
করার
অনুভূতির
পাশাপাশি
বিশেষ
করে
উৎসবের
সময়
নিজেদের
আনন্দটুকুর
কিছু
অংশ
ভাগাভাগি
করে
নেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সবাই মিলে ভালো কিছু করার চেষ্টা, যা অসহায় মানুষগুলোর
মানুষের
কাজে
লাগবে।
যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা তাঁদের
স্বাচ্ছন্দ্যের
সামান্য
অংশ
যদি
এগিয়ে
দিতে
পারেন,
কত
মানুষ
সেটা
ভাগাভাগি
করে
নিতে
পারে!
অন্তত
ঈদ-উৎসব
সামনে
রেখেও
অপেক্ষাকৃত
সচ্ছল
ব্যক্তিরা
যদি
এটাকে
নৈতিক
দায়িত্ব
বা
ভালো
লাগা
হিসেবে
পালন
করেন,
তবে
অজস্র
মুখে
হাসির
বন্যা
বয়ে
যেতে
পারে। এই শুভকামনা
ও ভাগাভাগির
ইচ্ছাগুলো
যেন
ছড়িয়ে
পড়ে
দেশময়
সচেতন
মানুষের মধ্যে।
এ দেশে ধনী-দরিদ্রের মাঝখানে বিশাল পার্থক্যের মাপ কমবেশি সবারই জানা। রয়েছে বিশাল সচেতন-সহূদয় জনগোষ্ঠী। প্রয়োজন দিকনির্দেশনা, কার্যক্রম, উদ্যোগী মানুষ এবং সংগঠনের বিশ্বাসের ভিত ও কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা। আমরা যে যার কাজ করি, উপার্জন করি, সচ্ছলতা উপভোগ করি। হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও যার যার অবস্থান থেকে যদি একটু মানবতাবাদী কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসি, সেটা খুব কঠিন বিষয় নয়। অবশ্যই সচ্ছলতা, স্বাচ্ছন্দ্য ও বিলাসিতা উপভোগ করব, কিন্তু তার সামান্য ভাগ অন্যদের বিলিয়ে দেব, এই মানসিকতা অধিকাংশ মানুষের ভেতরেই হয়তো আছে, অনেকে উপায় খুঁজে পায় না। কীভাবে দেব? কোথায় দেব? ঠিকমতো মানুষের হাতে পৌঁছাবে কি না—এটাই অনেক বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্য দরকার বিভিন্ন উদ্যোগ। নানা পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একযোগে অন্তত এসব উৎসবের সময় এগিয়ে এলে অসংখ্য মানুষ উপকৃত হতে পারে।
অসংখ্য মানুষ অভিজাত শপিং মল থেকে ঈদের কেনাকাটা করে, একটা পর্যায়ে যদি ভাবে, থাক আর না, অনেক হয়েছে, যেটুকু বাকি আছে, তা থেকে চলো ভাগাভাগি করি বঞ্চিত মানুষের সঙ্গে।
বিনোদনের সঙ্গে এই ঈদ-উৎসব সামনে রেখে মানুষের জন্য কিছু করি। আমরা
ডাকলে
সবাই
সাড়া
দেবে। আমাদের বিশ্বাস। কারন আজ আমরা সাতলা ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মকে
নিয়ে আজ একটি প্লাটফর্মে দাড়াতে পেরেছি। সাতলা ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মের বিশ্বাস ও নিরভরাতর
প্রতিক সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট।
সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী
ও অপেক্ষাকৃত সচ্ছল ব্যক্তিরা যদি এটাকে নৈতিক দায়িত্ব বা ভালো লাগা হিসেবে পালন করে
এগিয়ে আসেন, তবে ঈদের খুশি
প্রজেক্টটি (Project
Eider khushi) আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবো। আপনার আমার
সামান্ন কিছু আার্থিক সহযোগিতায় অজস্র মুখে হাসির বন্যা বয়ে যেতে পারে। এই শুভকামনা ও ভাগাভাগির
ইচ্ছাগুলো
যেন
সবার মাঝে জাগ্রত হয় এই কামনায় শেষ করছি সবাইকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
তাওহীদুল ইসলাম রুপক
কোষাদক্ষ, সাতলা ইয়ুথ পার্লামেন্ট
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন